1. momin02@gmail.com : MD Momin : MD Momin
  2. admin@upokulbarta.com : upokulbarta : Md Shohel
  3. monsur.gk9890@gmail.com : MD Monsur : MD Monsur
নারীর ক্ষমতায়ন হলে বাল্যবিয়ে কমে যাবে: সভায় বক্তারা | Upokul Barta
নোটিশঃ
উপকূলের  জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল উপকূল বার্তায় আপনাকে স্বাগতম
সর্বশেষ সংবাদ
এমপি শাওন’র শোক অধ্যাপক মোহাম্মদ হানিফ আর নেই দৌলতখানে অসহায় নারীদের সেলাই মেশিন দেওয়ার নামে অর্থ লোপাট লালমোহনে ২য় তম বীমা দিবস পালিত চরফ্যাশনে মেয়র- সাধারন কাউন্সিলদের ভোট বিন্যাস ভাসুরের কু-প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় দৌলতখানে গৃহবধূকে পিটিয়ে রক্তাক্ত বোরহানউদ্দিনে খাল থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সো‌য়ে‌ব’র হাত ধ‌রে শ‌শিভূষণ বেগম রহিমা ইসলাম ক‌লে‌জের শিল্পীর তু‌লি‌তে ক্যাম্পাস বিবিডিসি এর প্রধান উপদেষ্টা হলেন অতিরিক্ত সচিব মোঃ জহুরুল হক ব্যক্তিগত সহকারীর অসুস্থ পিতাকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন এমপি শাওন ভোলায় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষ, নির্বাচনী অফিস ও গাড়ী ভাংচুর আহত-১৪

নারীর ক্ষমতায়ন হলে বাল্যবিয়ে কমে যাবে: সভায় বক্তারা

  • প্রকাশিত : সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ১০১ বার পঠিত
ভোলা জেলায় কোস্ট ট্রাস্টের বাল্যবিয়ে নিয়ে জরিপ, ফ্রেরুয়ারি২০২১

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিঃ

মনপুরা, ভোলা, ৮ ফ্রেরুয়ারি ২০২১: আজ “বাল্যবিয়ের কারণ,প্রভাব ও প্রতিরোধের উপায়” নিয়ে ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলায় এক এ্যাডভোকেসি সভার আয়োজন করা হয়। সভায় বাল্যবিয়ে নিয়ে কোস্ট ট্রাস্ট কর্তৃক পরিচালিত গবেষণার তথ্যসমূহ উপস্থাপন করেন গবেষক ইকবাল উদ্দিন। গবেষণায় মেয়েদের নিরাপত্তাহীনতাকে বাল্যবিয়ের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। কোস্ট ট্রাস্টের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মোঃ মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় এ সভার সভাপতি ছিলেন মনপুরা উপজেলা মহিলা ও শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা রুপ কুমার পাল। প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শামীম মিঞা। বিশেষ অতিথি ছিলেন মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাখাওয়াত হোসেন এবং মনপুরা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ আলমগীর হোসেন। শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন ইউনিসেফ এর জামিল হোসেন।

মোঃ শামীম মিঞা বলেন মেয়েদের প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে। নারীদের শিক্ষা ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নই পারে বাল্যবিয়ে কমাতে। সেজন্য সকলকে কাজ করতে হবে। রুপ কুমার পাল বলেন বাল্যবিয়ে বন্ধে সহায়তা পেতে হটলাইন নাম্বারগুলো সকলকে জানাতে হবে। বাল্যবিয়ে রোধ করতে গ্রামে গ্রামে কমিটি গঠন করতে হবে। মোঃশাখাওয়াত হোসেন বলেন বাল্যবিয়ের ক্ষতিকর দিকগুলো বেশি বেশি করে মানুষের মাঝে প্রচার করতে হবে। মোঃআলমগীর হোসেন বলেন নৈতিকতার অবক্ষয় আমাদের রোধ করতে হবে। মেয়েদেরকে সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। বিয়ে বন্ধে অনেক সময় রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করে বাধার সৃষ্টি করা হয়। সেটি বন্ধ করতে হবে।

গবেষণায় জেলার প্রতিটি উপজেলা থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। উত্তরদাতাদের মধ্যে নারী ছিলেন ৫৭.১% এবং পুরুষ ৪২.৯%। কেন ভোলায় বাল্যবিয়ের হার বেশি এবং জীবনে এর প্রভাব জানতে কোস্ট ট্রাস্ট ২৫ অক্টোবর-৩১ ডিসেম্বর, ২০২০ এই গবেষণা করে।

গবেষণায় দেখা যায়, বাল্যবিয়ের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে প্রেম-ভালোবাসাকে দায়ী বলে মনে করেন ৬৩.৬% উত্তরদাতা। এরসাথে নিরাপত্তাজনিত কারণও জড়িত বলে জানান ৪১.৬%। এছাড়া ছেলে-মেয়েরা যে কোন সময় দুর্ঘটনা ঘটিয়ে ফেলতে পারে তাই পারিবারিক সম্মানের কথা বিবেচনা করে তাড়াতাড়ি বিয়ে দেয়া হয় বলে মত দেন ৪১%। ভালো পাত্র পেলে বিয়ে দেয়া হয় বলে মনে করেন ৪৭.৮%। অসচেতনতার কথা বলেছেন ৪৪.৯% এবং দারিদ্র্যতা এর কারণ বলে উল্লেখ করেছেন ৫০.৯% উত্তরদাতা।

গবেষণায় দেখা গেছে যে ৩৭.৮% উত্তরদাতরই ধারণা নেই ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত শিশু আর ১৫-১৭ বছর বয়সী মেয়েদের বিয়ে হওয়াকে অনেকই শিশু বিয়ে বলে মানতে নারাজ। তাছাড়া শিশুবিয়ে দিলেও পিতা-মাতা বা আত্মীয়-স্বজন প্রকাশ্যে সেটি স্বীকার করতে চান না। বাল্যবিয়ে বৃদ্ধির ক্ষেত্রে করোনার প্রভাব আছে বলেছেন ২১.৭%, নাই বলেছেন ৩৯.৫% এবং জানি না বলেছেন ৩৮.৭% উত্তরদাতা।

দরিদ্র পরিবারগুলোতে বাল্যবিয়ের হার বেশি বলে মত দিয়েছেন ৭৬.৪% উত্তরদাতা। মধ্যবিত্ত পরিবারে বেশি বলেছেন ২৯.১% এবং ধনী পরিবারে বেশি বলেছেন ২.৩% উত্তরদাতা। আর শিক্ষার ধাপ বিবেচনায় দেখা গেছে ৫ম শ্রেণি শেষ করার পর মেয়ে শিশুদের বিয়ে হয়ে যায় বলেছেন ১৯.১% উত্তরদাতা। ৮ম শ্রেণি শেষ করার পর হয় বলেছেন ৬৭.৩%। মাধ্যমিক শেষ করার পর হয় বলেছেন ১০% এবং উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করার পর হয় বলেছেন ১.৩%। বিয়ের ক্ষেত্রে অধিকাংশ মানুষই যৌতুক দেয়/নেয় বলে মত দিয়েছেন ৬০% উত্তরদাতা।

এলাকায় বাল্যবিয়ে হলে তা প্রতিরোধ করেন বলে জানিয়েছেন ২৭.৯% উত্তরদাতা, করেন না বলেছেন ৪১%, কখনও কখনও করেন বলেছেন ২৪.৩% এবং অন্যরা করে যেমন পুলিশ, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ কমিটির লোকজন ইত্যাদি বলেছেন ৬.৮%। এছাড়া স্থানীয় মেম্বার-চেয়ারম্যানরা শিশুবিয়ে প্রতিরোধে ভালো ভূমিকা রাখেন বলেছেন ২৫.৯%, মাঝে মাঝে ভূমিকা রাখেন বলেছেন ৪০.৮%, কোন ভূমিকা রাখেন না বলেছেন ১৩.৪% এবং তারা ভোটের হিসেব করেন বলেছেন ৮.৯% উত্তরদাতা। এছাড়া শিশুবিয়ে বন্ধে সরকারি হটলাইন নাম্বারের কথাও জানেন না বলেছেন ৫৪.৫% উত্তরদাতা।

বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সরকারের প্রচেষ্টার প্রতি গুরুত্বারোপ করে আরো কয়েকটি সুনির্দিষ্ট সুপারিশ তুলে ধরা হয়। সেগুলো হলো: ইউনিয়ন পরিষদকে বাল্যবিয়ে বন্ধে আরো সক্রিয় করা, গ্রামে গ্রামে কমিটি গঠন করা । মেয়েদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা। করোনাকালীন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে বিদ্যালয়গুলো সীমিত আকারে খুলে দেয়া। মেয়েদের শিক্ষার প্রসারে মাধ্যমিক স্তরে ৮০% মেয়েকে উপবৃত্তির আওতায় আনা। উপবৃত্তির অর্থ খুব সামান্য, এটি বৃদ্ধি করা। নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের পথ সৃষ্টি করা। ভূয়া জন্ম নিবন্ধন রোধ করা। এলাকায় বাল্যবিয়ে বন্ধে কাজী, ইমাম, পুরোহিতদের সাথে প্রশাসনের শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা। সভায় আরো বক্তব্য রাখেন কাসেম মিয়া, মফিজা বেগম, রফিক উদ্দীন, মোঃ সোহেল, মাসুকুর রহমান, মোঃ কবির হোসেন, আব্দুর রহিম, রাজিয়া সুলতানা, একরাম আব্দুল কাদের, মেহেদি হাসান রবিন, মোঃ আজাদ হোসেন প্রমুখ।

বার্তা প্রেরক:
ইকবাল উদ্দিন,যুগ্ন পরিচালক, কোস্ট ট্রাস্ট। মোবাইল ০১৭১৩৩২৮৮৪১

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
৫৪৬,২১৬
সুস্থ
৪৯৬,৯২৪
মৃত্যু
৮,৪০৮
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
সুস্থ
মৃত্যু
স্পন্সর: একতা হোস্ট

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved upokulbarta.com © 2021
Development BY MD Rasel Mahmud