1. momin02@gmail.com : MD Momin : MD Momin
  2. admin@upokulbarta.com : upokulbarta : Md Shohel
  3. monsur.gk9890@gmail.com : MD Monsur : MD Monsur
জাতীয় চার নেতার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা | Upokul Barta
নোটিশঃ
উপকূলের  জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল উপকূল বার্তায় আপনাকে স্বাগতম
সর্বশেষ সংবাদ
বোরহানউদ্দিন পৌর নির্বাচনকে ঘিরে সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলরের গণসংযোগ। ভোলায় বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবিতে স্বাস্থ্য সহকারীদের কর্ম বিরতি ও অবস্থান কর্মসূচী পালন শান্তির শৈশব ছেড়ে কষ্টের বিবর্ণ শৈশব। ঝালকাঠি সদর উপজেলার পুলিশ ফাঁড়ির সামনের ভবনের ছাদ থেকে নারীর লাশ উদ্ধার। রাতে ভর্তি হয়ে সকালেই লাপাত্তা!! ভোলায় আওয়ামীলীগ নেতাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে স্পিডবোট চালকের নাটক বিজয় দিবসে বঙ্গবন্ধুর চিত্রাংকন প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহন করতে হবে-এমপি শাওন ভোলার সাংবাদিক তুহিন খন্দকারকে আর্টিকেল নাইনটিন ওয়েব সেমিনারে আমন্ত্রণ ভোলায় শর্টসার্কিট থেকে চার ঘরে আগুন!! ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি ভোলায় বঙ্গবন্ধু টি-টেন টেপ টেনিস ক্রিকেট লীগের উদ্বোধন বাউফল উপজেলা যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বিশাল মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে

জাতীয় চার নেতার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২০
  • ৪৮ বার পঠিত

জাতীয় মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখব, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কারারুদ্ধ থাকাকালে বা তার অবর্তমানে জাতীয় চার নেতা—সর্বজনশ্রদ্ধেয় সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামান—বারবার-জাতিকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। কিন্তু গভীর পরিতাপের বিষয়, সমগ্র বিশ্বে যে কারাগারকে মনে করা হয় সবচেয়ে নিরাপদ স্থান সেই কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে তাদেরকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। এবার করোনা মহামারির কারণে ‘জেলহত্যা দিবস’ সীমিত পরিসরে পালন করতে হচ্ছে। জেলহত্যা দিবসের বেদনাভারাক্রান্ত দিনে জাতীয় চার নেতার সংগ্রামী জীবনের প্রতি নিবেদন করছি বিনম্র শ্রদ্ধা।

জাতীয় চার নেতার নেতৃত্বে ’৭১-এর ১০ এপ্রিল অস্থায়ী রাজধানী মুজিবনগরে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্ম হয়। প্রতিষ্ঠালগ্নে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপ্রধান ও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং উপরাষ্ট্রপতি তথা অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন তাজউদ্দীন আহমদ। ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী অর্থমন্ত্রী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামান স্বরাষ্ট্র ও পুনর্বাসনবিষয়ক মন্ত্রী হন। ১৭ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি ও মন্ত্রিপরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেন। সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাজউদ্দীন আহমদ দূরদর্শিতার সঙ্গে সুচারুরূপে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি সবার সঙ্গে পরামর্শ করে ঐক্যবদ্ধভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতেন। আমরা চার জন মুজিব বাহিনীর অধিনায়ক ছিলাম। প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের সঙ্গে বর্ডারে বর্ডারে ঘুরেছি, রণাঙ্গনে ও মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে গিয়েছি। একসঙ্গে কাজ করেছি। আমার ক্যাম্প ছিল ব্যারাকপুর, মনি ভাইয়ের আগরতলা, সিরাজ ভাইয়ের শিলিগুড়ি, আর রাজ্জাক ভাইয়ের মেঘালয়। এ সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে বেশ কয়েকবার সাক্ষাতের সুযোগ হয়েছিল।

দেশ স্বাধীনের পর ’৭১-এর ১৮ ডিসেম্বর কলকাতা থেকে একটি বিশেষ হেলিকপ্টারে আমি ও রাজ্জাক ভাই বিজয়ীর বেশে প্রিয় মাতৃভূমিতে প্রত্যাবর্তন করি। ২২ ডিসেম্বর স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের প্রথম নির্বাচিত সরকার ফিরে এলে জাতীয় চার নেতাকে আমরা বীরোচিত সংবর্ধনা জানাই। আর ৯ মাস ১৪ দিন কারারুদ্ধ থাকার পর পাকিস্তানের জিন্দানখানা থেকে মুক্ত হয়ে বিজয়ের পরিপূর্ণতায় জাতির পিতা স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন ’৭২-এর ১০ জানুয়ারি। পরদিন ১১ জানুয়ারি তাজউদ্দীন আহমদের বাসভবনে বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্র ও সরকার পরিচালনা বিষয়ে সমস্ত পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। বঙ্গবন্ধু সংসদীয় গণতন্ত্রে ফিরে যাবেন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হবেন বঙ্গবন্ধু স্বয়ং; সৈয়দ নজরুল ইসলাম শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী; তাজউদ্দীন আহমদ অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী; ক্যাপ্টেন মনসুর আলী যোগাযোগমন্ত্রী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামান সাহেব ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী। আমার সৌভাগ্য হয়েছিল ১৪ জানুয়ারি প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সচিব হওয়ার। সেই থেকে বঙ্গবন্ধুর কাছে থেকেছি শেষ দিন পর্যন্ত।

ছাত্রজীবন থেকে জাতীয় চার নেতাকে নিবিড়ভাবে দেখেছি। তাদের আদর-স্নেহ পেয়েছি। ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট যেদিন জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যা করা হয়, আমরা সেদিন নিঃস্ব হয়েছি। যার জন্ম না হলে এ দেশ স্বাধীন হতো না, তাকে বাংলার মাটিতে এভাবে জীবন দিতে হবে এটা কেউ কখনো ভাবেনি। খুনিরা চেয়েছিল, বঙ্গবন্ধু পরিবারের কেউ যেন কোনোদিন রাষ্ট্র পরিচালনায় না আসতে পারে। সেজন্য তারা শিশু রাসেলকে প্রাণভিক্ষা দেয়নি। দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারী চক্র দেশকে নেতৃত্বশূন্য করতে প্রথমে সপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে এবং পরে জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করে। তখন বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা বিদেশে অবস্থান করছিলেন। দেশে থাকলে তাদেরও হত্যা করা হতো।

বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর জাতীয় চার নেতাসহ আমরা ছিলাম গৃহবন্দি। খুনিচক্রের হোতা মোশতাক জাতীয় নেতা মনসুর আলীকে বঙ্গভবনে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রস্তাব দিলে তিনি তা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেন। ১৫ আগস্টের পরদিন খুনিরা আমার বাসভবন থেকে আমাকে তুলে রেডিও স্টেশনে নিয়ে যায়। সেখানে অকথ্য নির্যাতন করা হয়। ২৩ আগস্ট পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের ডিআইজি জনাব ই এ চৌধুরীর মাধ্যমে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি শ্রদ্ধেয় নেতা জিল্লুর রহমান এবং আমাকে বঙ্গভবনে নিয়ে যায়। সেখানে খুনি মোশতাক আমাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে নানারকম প্রস্তাব দিলে আমরা খুনির সেসব প্রস্তাব ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করি। আগস্টের ২২ তারিখ জাতীয় চার নেতাসহ আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকে গ্রেফতার করে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে লাইন দিয়ে দাঁড় করানো হয়েছিল হত্যা করার জন্য। ঘাতকের দল শেষ পর্যন্ত হত্যা করেনি। পরে নেতৃবৃন্দকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ কন্ট্রোল রুম থেকে খুনি চক্র আমাকে রেডিও স্টেশনে নিয়ে চোখ ও হাত-পা চেয়ারের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করে। পরে অর্ধমৃত অবস্থায় পুলিশ কন্ট্রোল রুমে রেখে আসে। সিটি এসপি আবদুস সালাম ডাক্তার এনে আমার চিকিত্সা করান। পরে জিল্লুর রহমান ও প্রিয়নেতা রাজ্জাক ভাইকে কুমিল্লা কারাগারে আর আমাকে ও আবিদুর রহমানকে ময়মনসিংহ কারাগারে প্রেরণ করে। যেদিন কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়, সেদিন আমি ময়মনসিংহ কারাগারে। তখন আমাদের দুঃসহ জীবন! সহকারাবন্দি ছিলেন ‘দি পিপল’ পত্রিকার এডিটর জনাব আবিদুর রহমান—যিনি ইতিমধ্যে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছেন। ময়মনসিংহ কারাগারের জেল সুপার ছিলেন শ্রী নির্মলেন্দু রায়। কারাগারে আমরা যারা বন্দি তাদের প্রতি তিনি ছিলেন সহানুভূতিশীল। বঙ্গবন্ধু যখন বারবার কারাগারে বন্দি ছিলেন, নির্মলেন্দু রায় তখন কাছ থেকে বঙ্গবন্ধুকে দেখেছেন। বঙ্গবন্ধু তাকে খুব স্নেহ করতেন। সেদিন গভীর রাতে নির্মলেন্দু রায় আমার সেলে এসে বলেন, ‘ঢাকা কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা কারাগারের চতুর্দিক পুলিশ দ্বারা বেষ্টন করে রেখেছি, জেল পুলিশ ঘিরে রেখেছে। এসপি সাহেব এসেছেন আপনাকে নিয়ে যেতে।’ এসপি এম আর ফারুক আমাকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন, আমি বলেছিলাম, এভাবে তো যাওয়ার নিয়ম নেই। আমি এখান থেকে যাব না। জাতীয় চার নেতা হত্যাকাণ্ডের দুঃসংবাদটি শুনে মন বেদনাভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে।

জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতীয় চার নেতার জাতীয় মুক্তিসংগ্রামে কত অবদান! বঙ্গবন্ধু ৬ দফা দেওয়ার পর মার্চের ১৮, ১৯ ও ২০ তারিখ হোটেল ইডেনে আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে বঙ্গবন্ধু সভাপতি, তাজউদ্দীন আহমদ সাধারণ সম্পাদক, সৈয়দ নজরুল ইসলাম প্রথম সহসভাপতি, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী অন্যতম সহসভাপতি এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামান নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। আমরা ’৬৬-এর ৭ জুন হরতাল পালন করি। হরতাল পালন শেষে এক বিশাল জনসভায় সৈয়দ নজরুল ইসলাম ৬ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নে বঙ্গবন্ধুর ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করে সুন্দর বক্তৃতা করেন। তাজউদ্দীন আহমদ দক্ষ সংগঠক। কামারুজ্জামান সাহেব এমএনএ হিসেবে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে বাঙালির আত্মনিয়ন্ত্রণের দাবি তুলে ধরতেন। ’৬৮তে কারাগারে থাকা অবস্থায় তাজউদ্দীন ভাই আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে পুনর্নির্বাচিত হন। ’৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানের ফলে তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান। ’৬৯-এর গণ-আন্দোলনের সময় দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ কারাগারে বন্দি ছিলেন। সৈয়দ নজরুল ইসলাম তখন দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি।

বছর ঘুরে যখন ‘জেলহত্যা দিবস’ ফিরে আসে তখন আমার জীবনের কিছু ঘটনা আমাকে তীব্রভাবে নাড়া দেয়। ’৭৫-এর ১১ জুলাই আমার বড়ো ভাইয়ের মৃত্যু হয়। একদিন হঠাত্ আমার পরিবার—আমার স্ত্রী ও সাত বছর বয়সি মেয়ে তখন দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে—সাক্ষাত্ করতে আসে। ঐ দিন খবর পাই, আমাদের বাড়ির কাছে যে বাজার আছে, সেই বাজারে আমার সেজো ভাইকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর খুনি ক্যাপ্টেন মাজেদ—সম্প্রতি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে—সে ভোলায় গিয়ে তাকে হত্যা করার ব্যবস্থা করেছিল। আমার মা তখন জীবিত। তিন ছেলের একজন কারাগারে, আর দুই ছেলে বেঁচে নেই। মায়ের সেই করুণ দিনগুলোর কথা মনে পড়ে, আবেগাপ্লুত হই—খুব খারাপ লাগে। স্বাধীন বাংলাদেশে আমাকে সাত বার কারানির্যাতন ভোগ করতে হয়েছে। আমার বৃদ্ধ মা আমাকে একনজর দেখতে ময়মনসিংহ, কুষ্টিয়া, সিলেট, কুমিল্লা, রাজশাহী, বরিশাল কারাগারে গিয়েছেন। আমার মাথায় হাত রেখে মুখের দিকে তাকিয়ে দোয়া করেছেন আর নীরবে চোখের পানি ফেলেছেন। কী কষ্ট করেই-না মা কারাগারে আমাকে দেখতে যেতেন। কারারুদ্ধ থাকাকালে অপরিসীম কষ্ট করেছেন আমার স্ত্রী। আমার স্ত্রীর নামে কেউ বাড়ি ভাড়া দিতে চায়নি। যখনই শুনেছে তোফায়েল আহমেদের স্ত্রী, তখনই বলেছে, ‘না, বাড়ি ভাড়া দেওয়া সম্ভব নয়।’ কলাবাগানে আমার ভাগনিজামাইয়ের নামে গোপনে বাড়ি ভাড়া করে আমার স্ত্রী সেখানে দেড় বছর কাটিয়েছেন। আমরা যারা কারাগারে বন্দিজীবন কাটিয়েছি আমাদের চেয়েও কষ্ট করেছেন পরিবারের স্বজনেরা। যারা কারাবন্দি থাকেন তাদের পরিবার-পরিজন যে কী কঠিন কষ্টে দিনাতিপাত করেন তা বঙ্গবন্ধু রচিত ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ ও ‘কারাগারের রোজনামচা’ গ্রন্থ দুটোর পাতায় পাতায় আবেগমথিত ভাষায় ব্যক্ত হয়েছে। আমার ছোট্ট মেয়েটি যখন জেলখানায় আমাকে দেখতে যেত, তখন সে বারবার জিগ্যেস করত, ‘আব্বু তুমি কবে বাড়ি যাবে।’

ইতিহাসের মহামানব জাতির জনক ও জাতীয় চার নেতার নেতৃত্বে যুদ্ধ করে আমরা দেশ স্বাধীন করেছি। বঙ্গবন্ধুর দুটি স্বপ্ন ছিল, একটি স্বাধীনতা, আরেকটি অর্থনৈতিক মুক্তি। স্বাধীনতার স্বপ্ন তিনি পূরণ করেছেন। স্বপ্নের বাংলাদেশকে তিনি ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশে পরিণত করতে চেয়েছিলেন। আমার দৃঢ়বিশ্বাস, জেলহত্যা দিবসের শোককে শক্তিতে পরিণত করে জাতির জনক ও জাতীয় চার নেতার আরাধ্য স্বপ্ন বাস্তবায়নে বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অচিরেই আমরা দেশকে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলায় রূপান্তরিত করব।

লেখক :আওয়ামী লীগ নেতা; সংসদ সদস্য; সভাপতি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি, জাতীয় সংসদ।

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস

সর্বমোট

আক্রান্ত
৪৫৫,০৯১
সুস্থ
৩৬৯,৪৯২
মৃত্যু
৬,৪৯৬
সূত্র: আইইডিসিআর

সর্বশেষ

আক্রান্ত
২,২৯২
সুস্থ
২,২৭৪
মৃত্যু
৩৭
স্পন্সর: একতা হোস্ট

সোসা্ল মিডিয়াতে শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved upokulbarta.com © 2020
Development BY MD Rasel Mahmud